1. 72UrPrHAN5C0mF@gmail.com : 72UrPrHAN5C0mF :
  2. : lf_T0njkaifdsPr :
  3. live@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  4. oFZVkvXHOBvYdR@gmail.com : oFZVkvXHOBvYdR :
  5. info@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন :
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
​শোক সংবাদ ​ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল-এর ডেপুটি ডিরেক্টর Dipu Hafizur Rahman-এর মা কিছুক্ষণ আগে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ​দৈনিক বরিশাল বুলেটিন পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। ​ বাকেরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কেরামত আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন শেষে মাসিক সভায় দোয়া কামনা  বাকেরগঞ্জের রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন বিএনপির নতুন কমিটির সভাপতি ভিপি দুলাল সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল ও সাংগঠনিক পদে জিয়াউল হক সুমন গলাচিপায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, দেড় শতাধিক রোগী সেবা পেলেন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গৃহবধূকে মারধর হাস পাতালে ভতি। বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝালকাঠিতে সুগন্ধা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক। Understanding bookmakers apps not on gamstop and how they work AIUndressAI Covers Casual Use Without a Subscription in the USA

৪১৭ প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন, কাটল ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন-জট।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট, ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

৪১৭ প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন, কাটল ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন-জট

মোঃ মিজানুর রহমান মুবিন : ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপির সাধারণ বরাদ্দের আওতায় ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রস্তাবিত ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রকল্পগুলোর প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত শর্ত ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।

এর আগে জেলা পরিষদ থেকে ৪১৭টি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর প্রকল্প অনুমোদন ও ছাড় নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কথাও ছড়িয়ে পড়ে যে, ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রকল্প অনুমোদনে হস্তক্ষেপ করে প্রকল্প আটকে দেয়া হয়েছে। দুই এমপির সাথে জেলা পরিষদের সমন্বয়ের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি এমপিদের ব্যক্তি অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রচার-প্রচারণা চলায়। তাতে করে বিএনপি’র ত্যাগী নেতাকর্মী এবং জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ এবং হতাশা দেখা দেয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ চিঠিতে ৪১৭টি প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় এতদিনের আলোচনা ও গুঞ্জনে নতুন মাত্রা তৈরি হয়েছে। যদিও প্রকল্প অনুমোদনে বিলম্বের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সরাসরি সম্পর্ক ছিল—এমন কোনো তথ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ নেই।

ঝালকাঠি জেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের কয়েকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কারণে জেলার অনেক এলাকার মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তাদের দাবি, বিভিন্ন এলাকার প্রয়োজনীয় ছোট ছোট উন্নয়ন প্রকল্পের আবেদন জেলা পরিষদে জমা দেওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করে তালিকাভুক্ত করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

তাদের বক্তব্য, যদি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা পক্ষ উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে থাকে, তা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। কারণ এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে জেলার সাধারণ মানুষ এবং দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত এলাকাগুলোর প্রত্যাশা জড়িত।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, “ঝালকাঠি জেলার সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিবেচনা করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পগুলোর বিষয় মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করা হবে।”

প্রকল্প ছাড় পেতে বিলম্বের ক্ষেত্রে দুই সংসদ সদস্যের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি কোনো হস্তক্ষেপ দেখিনি। তবে যদি এ ধরনের কোনো বিষয় থেকে থাকে, সেটি অবশ্যই দুঃখজনক। জেলার উন্নয়নে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে জনগণ তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।”

তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এলাকার প্রয়োজনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে।

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ফলে এখন ৪১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ খুলে গেল। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ছোট-বড় উন্নয়নকাজ দ্রুত শুরু হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট