1. live@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  2. info@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Android üçün Mostbet onlayn kazino oynamaq: Azerbaycanda mobil oyun keyfiyyəti নলছিটিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। কুয়াকাটা রাতের আঁধারে বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙা হলো কার স্বার্থে? হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে কসবায় দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত শতাধিক পোনাবালিয়ায় পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের সুচনা করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. মুবিন বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ। এগিয়ে যাচ্ছে ‘প্যারাডাইস ফিটনেস ক্লাব’: সবার দোয়া ও সমর্থনে নতুন লক্ষ্যের পথে রাজাপুুরে শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী মঠবাড়িয়ায়  বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে মালবাহী ট্রাক: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বরিশাল নগরীতে যাত্রা শুরু করলো ‘আপেল কেয়ার জামাল টেলিনেট-২’

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু।।

স্টাফ রিপোর্টার পটুয়াখালী
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু।।

বিশেষ প্রতিবেদন।।
কুয়াকাটা উপকূলে যেন চলছে নীরব সামুদ্রিক হত্যাযজ্ঞ। অবৈধ ট্রলিং বোর্ড দিয়ে সমুদ্রের তলদেশ চষে বেড়াচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে মাছের রেনু (পোনা), ডিম ও ছোট প্রজাতির মাছ। ফলাফল—প্রজনন চক্র ভেঙে পড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, আর পথে বসছে হাজারো জেলে পরিবার।

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে গভীর সমুদ্রে এসব ট্রলিং বোর্ড পরিচালিত হয়। তারা দাবি করেন, অতীত সরকারের সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এই অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে, যা এখনো বন্ধ হয়নি।

যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এক ক্ষতিগ্রস্ত জেলের কণ্ঠে আক্ষেপ—
আমরা বৈধ জাল নিয়ে সাগরে যাই, কিন্তু মাছ পাই না। ট্রলিং বোর্ড সব রেনু তুলে নিচ্ছে। প্রশাসন কি দেখছে না?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় এবং উপকূলের অর্থনীতিতে।

হাজার প্রজাতির মাছের রেনু ধ্বংস
সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট
ক্ষুদ্র জেলে পরিবার চরম দারিদ্র্যের মুখে
বাজারে মাছের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি
জেলেদের জোর দাবি: অবৈধ ট্রলিং বোর্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। সাগরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও কোস্টাল টহল জোরদার।
অতীতে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা। উপকূলের মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—কতদিন চলবে এই সামুদ্রিক লুট? প্রশাসনের চোখে কি এখনও কালো চশমা?

হাজারো জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্র হারাবে তার প্রাণ, আর জেলেরা হারাবে তাদের শেষ সম্বল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট