1. live@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  2. info@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন  সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রহমাতুল্লাহ খান মিথুন। গলাচিপা পৌরসভায় খালের উপর অবৈধ্যস্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে গলাচিপায় অপহরণের আড়াই মাস পরেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্রী এলজিডি এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সব দপ্তরের ক্ষেত্রে বিগত পাঁচ বছরের তথ্য জানতে চাইলেন’ কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন ‘কাচারি ঘর’ এলাকায় সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান।। রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির কমিটি গঠন সভাপতি মুবিন, সম্পাদক বাচ্চু গলাচিপা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস মুক্ত  ও উন্নয়নের রোল মডেলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই – প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ঝালকাঠিতে ৩০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ ঝালকাঠীর নলছিটিতে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত আপনাদের ভোটের কারণেই এমপি হয়েছি ইনশাআল্লাহ কাজ করবো’ ‎-প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু।।

স্টাফ রিপোর্টার পটুয়াখালী
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

 

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু।।

বিশেষ প্রতিবেদন।।
কুয়াকাটা উপকূলে যেন চলছে নীরব সামুদ্রিক হত্যাযজ্ঞ। অবৈধ ট্রলিং বোর্ড দিয়ে সমুদ্রের তলদেশ চষে বেড়াচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে মাছের রেনু (পোনা), ডিম ও ছোট প্রজাতির মাছ। ফলাফল—প্রজনন চক্র ভেঙে পড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, আর পথে বসছে হাজারো জেলে পরিবার।

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে গভীর সমুদ্রে এসব ট্রলিং বোর্ড পরিচালিত হয়। তারা দাবি করেন, অতীত সরকারের সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এই অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে, যা এখনো বন্ধ হয়নি।

যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এক ক্ষতিগ্রস্ত জেলের কণ্ঠে আক্ষেপ—
আমরা বৈধ জাল নিয়ে সাগরে যাই, কিন্তু মাছ পাই না। ট্রলিং বোর্ড সব রেনু তুলে নিচ্ছে। প্রশাসন কি দেখছে না?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় এবং উপকূলের অর্থনীতিতে।

হাজার প্রজাতির মাছের রেনু ধ্বংস
সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট
ক্ষুদ্র জেলে পরিবার চরম দারিদ্র্যের মুখে
বাজারে মাছের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি
জেলেদের জোর দাবি: অবৈধ ট্রলিং বোর্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। সাগরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও কোস্টাল টহল জোরদার।
অতীতে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা। উপকূলের মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—কতদিন চলবে এই সামুদ্রিক লুট? প্রশাসনের চোখে কি এখনও কালো চশমা?

হাজারো জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্র হারাবে তার প্রাণ, আর জেলেরা হারাবে তাদের শেষ সম্বল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট