1. live@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  2. info@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Android üçün Mostbet onlayn kazino oynamaq: Azerbaycanda mobil oyun keyfiyyəti নলছিটিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। কুয়াকাটা রাতের আঁধারে বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙা হলো কার স্বার্থে? হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে কসবায় দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত শতাধিক পোনাবালিয়ায় পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের সুচনা করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. মুবিন বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ। এগিয়ে যাচ্ছে ‘প্যারাডাইস ফিটনেস ক্লাব’: সবার দোয়া ও সমর্থনে নতুন লক্ষ্যের পথে রাজাপুুরে শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী মঠবাড়িয়ায়  বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে মালবাহী ট্রাক: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বরিশাল নগরীতে যাত্রা শুরু করলো ‘আপেল কেয়ার জামাল টেলিনেট-২’

প্রকল্পের টাকা লোপাট, ট্যাক্স আত্মসাৎ— প্যানেল চেয়ারম্যানের শাহ আলমের অপসারণ দাবি ইউপি সদস্যদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

 

‎প্রকল্পের টাকা লোপাট, ট্যাক্স আত্মসাৎ— প্যানেল চেয়ারম্যানের শাহ আলমের অপসারণ দাবি ইউপি সদস্যদের

‎ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

‎ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৭ নম্বর নাচনমহল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান–১ মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক সদস্য। ট্যাক্সের টাকা আত্মসাৎ, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, এলজিইডির সড়কের ইট বিক্রি এবং বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ইউপি সদস্যরা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মো. শাহ আলম এককভাবে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন।

‎লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ট্যাক্স আদায় করে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান পরিষদের ব্যাংক হিসাবে রেখে যাওয়া প্রায় ৭৬ হাজার টাকাও আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

‎অভিযোগে আরও বলা হয়, নাচনমহল-টেকেরহাট সড়কের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খুলনা গ্রামের মাওলানা মার্কেটের পশ্চিম পাশে এলজিইডি নির্মিত প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট এইচবিবি সড়কের ইট খুলে বিক্রি করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা। বিষয়টি নিয়ে ইউপি সদস্যরা জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎এছাড়া ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দের ১০ লাখ টাকার তিনটি প্রকল্প নিজ ওয়ার্ডে নিয়ে কাজ না করেই অর্থ আত্মসাৎ, একাধিক কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম, সরকারি গাছ কেটে বিক্রি, ট্রেড লাইসেন্স ও ওয়ারিশ সনদের অর্থের হিসাব না দেওয়া এবং ইউনিয়ন পরিষদের পুরোনো ভবন ভাড়া দিয়ে সেই অর্থ পরিষদের তহবিলে জমা না দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

‎এদিকে, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদন ঘিরে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আদেশের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বিষয়টি আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

‎ইউপি সদস্যরা জানান, এসব অভিযোগের প্রতিবাদে তারা বিভিন্ন সময়ে মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় এলাকাবাসীরাও অংশ নিয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ জানান এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি তোলেন।

‎নাচনমহল ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক খোকন বলেন, “ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রকল্প ও বিভিন্ন খাতে অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

‎ইউপি সদস্য মো. রিপন মোল্লা বলেন, “আমরা প্রায় সব ইউপি সদস্য একত্র হয়ে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

‎এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (নলছিটি উপজেলার দায়িত্বে) সেগুফতা মেহনাজ বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

‎উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাওছার হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলো তদন্তাধীন। প্রশাসন তদন্ত করছে। তদন্তে যে সিদ্ধান্ত বা রায় আসবে, আমি তা মেনে নেব।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট