1. live@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  2. info@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Android üçün Mostbet onlayn kazino oynamaq: Azerbaycanda mobil oyun keyfiyyəti নলছিটিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। কুয়াকাটা রাতের আঁধারে বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙা হলো কার স্বার্থে? হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে কসবায় দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত শতাধিক পোনাবালিয়ায় পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের সুচনা করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. মুবিন বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চাল বিতরণ। এগিয়ে যাচ্ছে ‘প্যারাডাইস ফিটনেস ক্লাব’: সবার দোয়া ও সমর্থনে নতুন লক্ষ্যের পথে রাজাপুুরে শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী মঠবাড়িয়ায়  বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে মালবাহী ট্রাক: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বরিশাল নগরীতে যাত্রা শুরু করলো ‘আপেল কেয়ার জামাল টেলিনেট-২’

মহিপুর ও আলিপুর বাজারে অবৈধ দখলদারদের হীরক ব্যবসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও খাস জমি বিক্রি ও বহুতল ভবন নির্মাণ।।

কুয়াকাটা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

 

মহিপুর ও আলিপুর বাজারে অবৈধ দখলদারদের হীরক ব্যবসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও খাস জমি বিক্রি ও বহুতল ভবন নির্মাণ।।

বিশেষ প্রতিনিধি।।
পটুয়াখালীজেলার মহিপুর ও আলিপুর বাজারে আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি ও খাস খতিনের জমি দখল করে বিপুল ব্যবসা চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই জমিগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতের মুঠোয় চলে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দখলদাররা আইনকে ফাঁকি দিয়ে খাস জমি দখল করে ভাড়াভিত্তিক দোকান ও বসত ঘর তৈরির পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মহিপুর বাজারের অনেক দোকানদার নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক বলেন, আমরা অনেকবার অভিযোগ করেছি, কিন্তু এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। অবৈধ দখলদাররা খাস জমি বেচে কোটি কোটি টাকা আয় করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, এই জমিগুলো সরকারি এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়া বিক্রি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। তবে স্থানীয় প্রশাসনের অবহেলার কারণে দখলদারদের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু দোকান নয়, বহুতল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অঞ্চলকে অবৈধভাবে দখল করে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি কয়েকজন দখলদার সরকারি জমির কাগজ জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রয়ও করছে।

একজন মহিপুরের বাসিন্দা বলেন, আইন থাকলেও এখানে তা কার্যকর হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই।
স্থানীয় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, তারা বিষয়টি নজরে রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সাধারণ মানুষ মনে করছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই অবৈধ কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

এই অবৈধ দখল ও বিক্রি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করছে না, বরং এলাকায় সামাজিক অশান্তিও তৈরি করছে। স্থানীয়রা বলছেন, যারা খাস জমি দখল করছে তারা স্থানীয় প্রশাসন ও কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে আইনকে উপেক্ষা করছে।

স্থানীয় ছাত্র সমাজ ও সুশীল সমাজ এই বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার। তারা জানিয়েছে, এমন দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।
স্থানীয় পরিবেশ কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, বহুতল ভবনের নির্মাণের ফলে স্থানীয় নদী-নালা ও পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদী ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে গেছে এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
একজন পরিবেশবিদ বলেন, খাস জমি দখল করে যেভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণভাবে পরিবেশ-বিরোধী। এটি সমগ্র এলাকার বাস্তুসংস্থানকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

স্থানীয়রা আবারো দাবি করছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি ও খাস খতিনের জমির অবৈধ দখল রোধ করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অবিলম্বে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে জনগণ প্রতিবাদে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট