ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠী নয়ানী হাওলাদার বাড়ির সামনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠের সাঁকো ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকার প্রায় ৩০টি পরিবারের অন্তত শতাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। অবর্ণনীয় এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী ও বয়োবৃদ্ধদের।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল এই সাঁকোটি। কিন্তু সম্প্রতি সাঁকোটির কাঠ ও বাঁশ পচে গিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এর ফলে খালের ওপর দিয়ে পারাপার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে ৩০টি পরিবার। বিকল্প কোনো যাতায়াতের পথ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া বা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়া কোমলমতি শিশুরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে না পারায় তাদের পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, সাঁকো ভাঙার কারণে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে গেছে। আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও বাজারে যাতায়াত করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীরা সময়মতো বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না।
এ বিষয়ে দ্রুত স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে এলাকাবাসী বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটিতে একটি নতুন সাঁকো নির্মাণ অথবা স্থায়ীভাবে একটি ছোট সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি। তা না হলে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।