1. MdNadimSharif@dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  2. MehadiHasanRussell@dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  3. MizanurRahmanMubin@dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  4. live@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন
  5. info@www.dainikbarisalbulletin.com : দৈনিক বরিশাল বুলেটিন :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নলছিটিতে সাঁকো ভেঙে ৩০ পরিবারের যাতায়াত বন্ধ, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ঝালকাঠিতে ৯ বছরের জমি বিরোধ, ভাঙচুর ও দখল নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নলছিটিতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৮। বরিশালে ইমা–ইসতিয়াকের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা, উপস্থিত ছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ৫নং সুবিদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আবু হনিফ, অগ্রাধিকার দিতে চান মাদকমুক্ত সমাজ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সেবার মানসিকতায় শ্রমিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ট্রেড ইউনিয়নকে ভূমিকা রাখতে হবে: শাহাদাত হোসেন সেবার মানসিকতায় শ্রমিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ট্রেড ইউনিয়নকে ভূমিকা রাখতে হবে: শাহাদাত হোসেন। ঝালকাঠিতে সাংবাদিকের বাড়িতে সিঁধ কেটে চুরি, দুই মাস আগে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ ঝালকাঠি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবনির্বাচিত সদস্য সচিব জুবায়ের তালুকদার মিশকাতকে অভিনন্দন বিধবা কার্ড চালু হলে এমপির বউ সবার আগে চাইবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

ঝালকাঠিতে ৯ বছরের জমি বিরোধ, ভাঙচুর ও দখল নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠিতে দীর্ঘ নয় বছর ধরে চলমান জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর, চলাচলের পথ বন্ধ, মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এক পক্ষের দাবি, মামলা চলাকালে তাদের জমি দখল ও বসতঘরে ভাঙচুর করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস বলছেন, ক্রয়সূত্রে তিনি জমির মালিক এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতেই তিনি জমি ভোগদখল করছেন। তাহলে প্রকৃত ঘটনা কী? চলুন, দেখি দুই পক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্রে কী উঠে এসেছে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার সারেংগল এলাকার জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত প্রায় নয় বছর আগে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগকারী সবুজ হাওলাদারের দাবি, বাপ-দাদার সম্পত্তি নিয়ে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আব্দুল কুদ্দুস নামে এক ব্যক্তি জমি কেনার পর সেখানে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।
সবুজের অভিযোগ, তার চলাচলের পথ বন্ধ করে বেড়া দেওয়া হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তার স্ত্রী হনুফার দাবি, গত বৃহস্পতিবার ১৪ তারিখ সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে লোকজন নিয়ে তাদের ঘর, রান্নাঘর ও বাথরুমে ভাঙচুর করা হয়। পরে ঘর থেকে স্বর্ণালংকার, আংটি ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যও যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগকারী পক্ষের আরেক সদস্য শহিদুল ইসলামও জমি নিয়ে হয়রানি, বাড়িতে হামলা এবং একাধিক মামলার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ করেছেন। স্থানীয় কয়েকজনের বক্তব্যেও জমি নিয়ে বিরোধ এবং বসতবাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।
সবুজ হাওলাদারের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান এবং সেখানে নিষেধাজ্ঞা বা স্থিতাবস্থা-সংক্রান্ত আদেশ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট আদেশের পূর্ণাঙ্গ কপি, কার্যকারিতা এবং বিরোধপূর্ণ জমির সঙ্গে তার সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক যাচাই করা জরুরি।
কারণ, আদালতের কোনো আদেশ কার্যকর থাকলে তার শর্ত অমান্য করা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণে আদেশের সঠিক ভাষা ও বাস্তব পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন আব্দুল কুদ্দুস। তিনি দাবি করেন, ক্রয়সূত্রে তিনি জমির মালিক এবং পূর্ববর্তী মালিকের কাছ থেকে বৈধ কাগজপত্রের ভিত্তিতে জমি কিনেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সিএস, আরএস, এসএ ও বিএস-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং দলিলের ভিত্তিতেই তিনি মালিকানা দাবি করছেন।
কুদ্দুস জানান, ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ তিনি দলিল সম্পাদন করেছেন এবং জমি তার দখলে রয়েছে। অভিযোগকারীদের অভিযোগকে তিনি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত তার কাছে রয়েছে।
অর্থাৎ, এক পক্ষ পুরোনো মালিকানা ও চলমান মামলার কথা বলছে, অন্য পক্ষ ক্রয়কৃত জমির দলিল ও রেকর্ডের ভিত্তিতে নিজের মালিকানা দাবি করছে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—জমির প্রকৃত মালিকানা কার? দলিল ও রেকর্ডের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ জমির সীমানা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? আর মামলা চলাকালে জমির দখল বা স্থাপনায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আদালতের কোনো কার্যকর নির্দেশনা ছিল কি না?
উপস্থাপিত নথির মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের একটি অফিস আদেশ, জমির পরিমাপ ও রেকর্ড-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং আদালত-সংশ্লিষ্ট নথি রয়েছে। তবে শুধু এসব নথির ছবি দেখে জমির চূড়ান্ত মালিকানা কিংবা কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায় না। প্রয়োজন মূল নথি, সংশ্লিষ্ট মামলার সর্বশেষ আদেশ এবং ভূমি রেকর্ডের যাচাই।
দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট, বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু জমির মালিকানা ও দখল। অভিযোগকারী পরিবার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তাদের সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে আব্দুল কুদ্দুস নিজের দলিল ও দখলকে বৈধ বলে দাবি করছেন।
এখন প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট থানা, ভূমি অফিস ও আদালতের নথি যাচাই করে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত। কেউ আইন ভঙ্গ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক—এটাই প্রত্যাশা।
আমরা কোনো পক্ষের নই। আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের পক্ষে। দুই পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা হবে। সত্য উদ্‌ঘাটন হোক নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট