
ব্যবসার কথা বলে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ, পাওনা ফেরতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান বিধবা নারী
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ব্যবসার কথা বলে নগদ ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তপন কুমার বড়াল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পাওনা টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন শুক্রিয়া হালদার নামে এক বিধবা নারী।
অভিযোগকারী শুক্রিয়া হালদার ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা। তিনি জানান, প্রায় তিন বছর আগে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের করুয়া কাঠি গ্রামের রয়েস্বর বড়ালের ছেলে তপন কুমার বড়াল ব্যবসায় বিনিয়োগের কথা বলে তার কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন।
পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে তপন কুমার বড়াল তাকে একটি চেক দেন। তবে নির্ধারিত সময়ে ওই চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, চেকের বিপরীতে ওই হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা নেই।
শুক্রিয়া হালদারের দাবি, এরপর তিনি পাওনা টাকা ফেরতের জন্য তপন কুমার বড়ালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। এমনকি তার বাড়িতেও খোঁজ নিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেলেও তার সঠিক অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি।
অভিযোগকারী আরও জানান, মুঠোফোনে বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি তপন কুমার বড়ালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরে টাকা আটকে থাকায় তিনি বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন।
শুক্রিয়া হালদার বলেন, “আমি একজন বিধবা নারী। আমার তিনটি সন্তান রয়েছে। অনেক কষ্ট করে এই টাকা দিয়েছিলাম। আমার পাওনা ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ফেরত পেলে আমি ও আমার সন্তানরা অনেক উপকৃত হব।”
এ বিষয়ে তিনি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তার পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।